যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি বিমান এফ-৩৫বি বিধ্বস্ত

যুক্তরাষ্ট্রে মেরিন সেনাদের ব্যবহৃত একটি সর্বাধুনিক এফ-৩৫বি জয়েন্ট স্ট্রাইক ফাইটার বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটিতে সর্বাপেক্ষা উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি এফ-৩৫ স্টিলথ বিমান বিধ্বস্তের এটাই প্রথম কোনো ঘটনা। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের মেরিন কোরের ঘাঁটির কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিমানটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, একে বড় ধরনের ক্ষতি হিসেবে দেখছে।

আফগানিস্তানে তালেবান জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে এফ-৩৫ বিমান থেকে বোমা হামলা চালানোর মাত্র একদিন পরই এই দুর্ঘটনা ঘটলো।

যে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা ছিল এফ-৩৫ ‘বি’ মডেলের যা মার্কিন মেরিন কোর ব্যবহার করে এবং এ বিমান সংক্ষিপ্ত রানওয়ে থেকে উড়তে এবং খাড়াভাবে ল্যান্ড করতে পারে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিমানের পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তার অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

মার্কিন বাহিনী এ বিমানকে মেরিন কোরের জন্য প্রধান যুদ্ধবিমান বানানোর পরিকল্পনা করেছিল। এফ-৩৫ বিমান তৈরিতে প্রতিটির জন্য খরচ পড়ে অন্তত ১০ কোটি ডলার।

প্রসঙ্গত, এফ-৩৫ জঙ্গিবিমানকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যববহুল অস্ত্র প্রযুক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের কাছে ৩ হাজারের বেশি বিমান ব্রিক্রি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুবই পছন্দের। তিনি প্রায়ই এফ-৩৫’র প্রশংসা করে বিবৃতি দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, শক্রপক্ষ টের পাওয়ার আগেই গোপনে হামলা চালিয়ে আসতে সক্ষম এ বিমান। কেননা রাডারে এর উপস্থিতি ধরা পরে না।

সূত্র: বিবিস

শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের মেরিন কোরের ঘাঁটির কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিমানটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, একে বড় ধরনের ক্ষতি হিসেবে দেখছে।

আফগানিস্তানে তালেবান জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে এফ-৩৫ বিমান থেকে বোমা হামলা চালানোর মাত্র একদিন পরই এই দুর্ঘটনা ঘটলো।

যে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা ছিল এফ-৩৫ ‘বি’ মডেলের যা মার্কিন মেরিন কোর ব্যবহার করে এবং এ বিমান সংক্ষিপ্ত রানওয়ে থেকে উড়তে এবং খাড়াভাবে ল্যান্ড করতে পারে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিমানের পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তার অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

মার্কিন বাহিনী এ বিমানকে মেরিন কোরের জন্য প্রধান যুদ্ধবিমান বানানোর পরিকল্পনা করেছিল। এফ-৩৫ বিমান তৈরিতে প্রতিটির জন্য খরচ পড়ে অন্তত ১০ কোটি ডলার।

প্রসঙ্গত, এফ-৩৫ জঙ্গিবিমানকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যববহুল অস্ত্র প্রযুক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের কাছে ৩ হাজারের বেশি বিমান ব্রিক্রি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুবই পছন্দের। তিনি প্রায়ই এফ-৩৫’র প্রশংসা করে বিবৃতি দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, শক্রপক্ষ টের পাওয়ার আগেই গোপনে হামলা চালিয়ে আসতে সক্ষম এ বিমান। কেননা রাডারে এর উপস্থিতি ধরা পরে না।

সূত্র: বিবিসি