মুকুটের আরেকটি পালক হারালেন সু চি

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত অপরাধের কারণে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির সম্মানসূচক নাগরিকত্ব বাতিল করতে কানাডার এমপিরা ভোট দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার হাউস অব কমন্সের এমপিরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রতীকীভাবে সু চির নাগরিকত্ব বাতিলের পক্ষে ভোট দেন।

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের মুখপাত্র অ্যাডাম অস্টিন বলেছেন, ২০০৭ সালে হাউস অব কমন্স অং সান সু চিকে কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়। বৃহস্পতিবার হাউস সর্বসম্মতিক্রমে তার সেই সম্মান বাতিল করেছে। খবর : বিবিসির।

এর আগে বুধবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, সু চির কানাডীয় সম্মানজনক নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন। তবে তিনি এও বলেন যে, সু চির নাগরিকত্ব বাতিল করলেও মিয়ানমার সংকটের সমাধান হবে না।

কিন্তু কমন্সের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না কারণ কারও সম্মানজনক নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে কানাডার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে একটি যৌথ প্রস্তাব গ্রহণ করতে হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই একসঙ্গে কারও নাগরিকত্ব বাতিলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে হবে।

গত সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব পাস করে কানাডার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্স।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের সু চিকে কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়। সু চি ছাড়া আরো পাঁচজনকে কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন দালাইলামা, নারী শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাই এবং নেলসন ম্যান্ডেলা।

এর আগে সু চির অক্সফোর্ড, গ্লাসগো, এডিনবরা এবং নিউক্যাসলের ফ্রিডম অব সিটি পুরস্কারও বাতিল হয়েছে।